টাংগাইল কালিহাতী নারান্দিয়া ইউনিয়নের ঘড়িয়া গ্রামের রাস্তা বিকল হয়ে পড়ার বিপাকে পড়েছে ছাত্র/ছাত্রী এবং গ্রামের কৃষক ও সাধারণ জনগণ।

প্রকাশিত: ২:৩০ অপরাহ্ণ, জুন ৯, ২০২০

টাংগাইল কালিহাতী নারান্দিয়া ইউনিয়নের ঘড়িয়া গ্রামের রাস্তা বিকল হয়ে পড়ার বিপাকে পড়েছে ছাত্র/ছাত্রী এবং গ্রামের কৃষক ও সাধারণ জনগণ।

 

শাহাদৎ হোসেন কালিহাতী (টাংগাইল) প্রতিনিধি :

দৈনিক বাংলার বারুদ রিপোর্ট : ছবি
মঙ্গলবার ০৯ জুন ২০২০ইং

গ্রামের নাম ঘড়িয়া তার পাশের গ্রামের নাম মালতী দুই গ্রামের মাঝখানে ৫,থেকে ৬, কি.মি রাস্তা,এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে হাজার হাজার মানুষ। রাস্তাটি বন্যার পানিতে একদম বিকল হয়ে পড়েছে। ওই গ্রামের অটোভ্যান চালক এবং রিকশাচালক তারা বলে আমরা এই রাস্তা নিয়ে খুব সমস্যা আছি। আমরা আমাদের অধিকার পাচ্ছি না, আমরা গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ আমরা সারাদিন পরিশ্রম করে যে টাকা পাই তাই দিয়ে আমাদের সংসার চলে, এই রাস্তাটা মেরামত করে পাকা করে দিলে দুমুঠো ডাল ভাত খেতে পারবো এটাই প্রত্যাশা করে তারা।

তার পর দেখতে পেলাম দুইটি গ্রামের মধ্যে পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে
দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দুইটি মার্দাসা। গ্রামের একলোক কে জিঙ্গাসা করলে তিনি বলে বন্যার সময় টানা তিন মাস বিদ্যালয়ে যেতে পারে না এলাকার ছাত্র/ছাত্রীরা এতে তাদের লেখা পড়ার অনেক ক্ষতি হয়। আর তাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা রাস্তাটা মেরামত করে পাকা করে দিলে এই বিপাক থেকে মুক্তি মিলবে এটাই মনে করেন তারা।

টাংগাইল কালিহাতীতে ধানচাষে বিখ্যাত,আর তাই দুটি গ্রামে কয়েক হাজার জমি ধান চাষ করা হয়, যা নাকি বাংঙ্গালির প্রধান খাদ্য হিসেবে দরা হয়। সেখান কার এক কৃষক বলে, আমাদের গ্রামটি খুব অবহেলিত আমরা পাচ্ছি না কনো সু্বিধা। আমরা গ্রামের মানুষ আমরা বড় হওয়ার কনো স্বপ্নদেখি না, দুমুঠো ডাল ভাত খেয়ে জীবনপার করতে চাই! কিন্তুু আমাদের রাস্তাটা খারাপ থাকার এটুকুও করে খেতে পাতেছি না।

তারা আরো বলে রাস্তা খারাপ থাকাতে তাদের চাষ করার সার, বৃজ এবং কি চাষ করা ফসল বাজার জাত করতে বারতি অর্থ হাতে নিতে হয়। এতে করে তারা চাষ করে কনো লাভ খুজে পান না, রাস্তাটা মেরামত করে পাকা করে দিলে আলোর নাগাল পাবে বলে মনে করেন গ্রামের সাধারণ কৃষকরা।

গ্রামের এমন রাস্তা থাকাতে প্রতি বছর প্রাণহাড়ার অনেক গর্ভপ্রতি নারি। গ্রামের এক বৃদ্ধলোক জিঙ্গাসা করলে তিনি বলেন গ্রামে এই সমস্যা অনেক হয়েছে গর্ভপ্রতি নারিকে হাসপাতাল পাঠানোর জন্য কনো যানবাহনের সুবিধনা না পাওয়ার অনেক জীবন হাড়াতে হয়। তাই রাস্তাটি মেরামত করে পাকা করে দিলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে এটাই মনে করেন তারা।

তাই রাস্তাটি কাজ খুব সিগ্রই করে দিবে সরকার এই আশাই করেন দুই গ্রামের সাধারণ মানুষেরা

এই সংবাদটি 848 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ